জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সদস্য সচিব শামসুল আরেফীন ও যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের গ্রুপের সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করলেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামছুল আরেফিন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাখা ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরিস্থিতি আরও উত্তাল হলে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
সংঘর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন সাইফ, বাংলা বিভাগের ইমরান হাসান ইমন, ইংরেজি বিভাগের আব্দুল্লাহ শেখ আসিফ সহ আরও নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।
জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক ভবনের তৃতীয় তলায় ‘শিক্ষা ভাবনা, ওরিয়েন্টালিজম এবং চিন্তার মৌলিকত্ব’ বিষয়ে পাঠচক্র আয়োজন করেন সদস্য সচিব শামসুল আরোফিন।
এর প্রেক্ষিতে ফেসবুকে তীব্র সমালোচনা করে পোস্ট দেয় যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিক। সেখানে তিনি লেখেন, “একটা পাডা কতগুলো ছাত্রলীগ, শিবির আর হাইব্রিড নিয়ে ধাপ্পাবাজির ক্লাস খুলছে। যেখানে ওর মতো গরু তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই পাডা কথা বলতে বলতে দাঁড়ানো অবস্থা থেকে প্রায় মাটিতে শুয়ে পরে।
জাস্ট লাইক এ্যা জোকার..!! তুমি না হয় এরওর পা টিপে সামহাউ কিছু একটা হইছো। তুমি যেই ভেড়ার ১২-১৩ জনের পাল তৈরি করেছো- ওখানে আলো ছড়াবে এমন কাউকে দেখছি না..!! সব ধূলোয় অন্ধকার হাইব্রিড, লীগ আর শিবির। সতর্কবার্তা-ভাইয়া চরিত্র বদলাও, না হলে বদলে দেওয়া হবে। রাস্তার ছালছাড়া অথর্ব নেড়িকুকুর।”
এর আগেও গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের নবীনবরণের কনসার্ট শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের সামনে কাঁঠালতলা এলাকায় সংগঠনটির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উক্ত ঘটনায় জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সুমন সরদার , যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রুমিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।