ঢাকা: রাজধানীর কদমতলী থানাধীন একটি মাদ্রাসার ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষককে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মো. নাঈম (১৩) জনতাবাগ জোড়া খাম্বা এলাকার রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। তার বাবা মো. বাবু ও মা নাজমা বেগম। পরিবারটি মুরাদপুর এলাকার ফজলু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে।
নিহতের মা নাজমা বেগম অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মো. জাকির হোসেন (৩৫) বিভিন্ন সময় তার ছেলেকে মারধর ও নির্যাতন করতেন। ঘটনার দিন, সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ওই শিক্ষক তার ছেলেকে মারধর করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ নাজমা বেগমকে ফোন করে তার ছেলে মারা যাওয়ার খবর জানায়।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যার ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষক হাফেজ মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে কদমতলী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন নিহতের মা।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।