জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য মানসম্মত গবেষণা, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
তিনি আরো বলেন, যৌথ গবেষণা, অ্যাকাডেমিক আদান-প্রদান ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক একটি শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে চান তাঁরা। এ সহযোগিতা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে অর্থবহ অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান সৃষ্টি বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সেই জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সমাজ ও জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করাও এর দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কো-অর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান শেখ মুজাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, জেমস পি. গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মালয় কান্তি মৃধা, লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. গোলাম সামদানি ফকির, ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. এরুম মারিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।