বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে পারে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মাগুরার শালিখা থানার সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার গ্রেপ্তার আগামীতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে হবে: শিক্ষামন্ত্রী মেহেরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত: বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‘আওয়ামী আমলের নির্যাতন ও শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা নয়’: মোবারক হোসাইন ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গায়ে থাকবে ক্যামেরা: সিইসি ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল বিশ্বকাপে জোড়া জয় বাংলাদেশের: সেশেলস ও সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Outcome-Based Education: Curriculum Design & Implementation for the Faculty of Arts’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুনে নিহত মণিরামপুরের একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন বিএনপিতে কোনো অপরাধীর আশ্রয় হবে না: নূরুল ইসলাম নয়ন

ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গায়ে থাকবে ক্যামেরা: সিইসি

সংবাদ শিরোনাম ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ মোট ভিউ

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও ক্যামেরা থাকবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনে সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা রেকর্ড করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সিইসি জানান, ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুতের কাজ চলছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে। আইনগতভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং আদালতের নির্দেশনার আওতাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রতি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউপিতে নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন সিইসি। তাঁর ভাষ্য, অতীত অভিজ্ঞতায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশি দেখা গেছে। এ কারণে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে কমিশনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রাথমিক মূল্যায়নে নির্বাচন কমিশন ও সামগ্রিক নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সিইসি বলেন, মানুষের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা, নির্বাচন কমিশনকে আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সিইসির তথ্য অনুযায়ী, এ কার্যক্রমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা মানুষের আস্থা ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital