মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রমজানের কারণে এগিয়ে এলো অমর একুশে বইমেলা, শুরু হবে ৭ জানুয়ারি যুদ্ধের ময়দানে আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী দুর্গোৎসবে যশোর ও নড়াইলে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করল এসআরবি-৬ পদত্যাগের নির্দেশ সংক্রান্ত খবর ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’, ঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, ব্যাখ্যা চাইল বাংলাদেশ জয়পুরহাটে অটোভ্যান ছিনতাই ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার জবিস্থ চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে জিসাদ-অনিক কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুনে যশোরের একই পরিবারের ৪ জন নিহত ভারতের গোয়ালিয়রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মন্দিরের ফটকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১২ ২৭১ রান তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানেই অলআউট, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় হার টাইগারদের

কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুনে যশোরের একই পরিবারের ৪ জন নিহত

যশোর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ মোট ভিউ

কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ রয়েছেন যশোরের মণিরামপুরের এক দম্পতি ও তাদের দুই মেয়ে। রিসোর্টের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হওয়া চারজনের মরদেহ তাদের হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত না হওয়ায় পরিবারটির সদস্যদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মণিরামপুর থানা পুলিশ বলছে, তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে তুহিন, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন- মণিরামপুর হাসপাতাল মোড়সংলগ্ন মোহনপুর এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তুহিন ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি ঢাকার মিরপুরে বসবাস করতেন। কক্সবাজারে পারিবারিক ভ্রমণে যাওয়ার বিষয়টি তিনি তার বাবাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন।

তুহিনের চাচাতো ভাই ও মণিরামপুর হাসপাতাল মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন তুহিন। দুই দিন অবস্থান শেষে রোববার তাদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে তুহিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পেয়ে তানজির মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটিও বন্ধ পান স্বজনরা। তাদের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান রিসোর্ট এলাকায় দেখাচ্ছিল বলে জানান রিয়াজ। তিনি বলেন, দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও তুহিন ও তার পরিবারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শনিবার সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর স্বজনদের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকা নিয়ে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তুহিনের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স শনিবার থেকে তার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। রোববার সকালে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। প্রিন্স বলেন, ‘তুহিন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে বেঁচে আছেন কি না, আমরা নিশ্চিত নই। কক্সবাজারে পৌঁছালে প্রকৃত অবস্থা জানতে পারব।’

তবে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে মণিরামপুরের ওই দম্পতি ও তাদের দুই মেয়ে রয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তবে এখনো মরদেহ শনাক্ত করা হয়নি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital