বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
মহেশপুরে জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে বিপদে পড়তে হবে’: জামায়াত নেতা শিগগিরই প্যারিস মুসলিম শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প ‘পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার ও ভ্রান্তি ছড়ানো চক্র এক হয়েছে’: প্রধানমন্ত্রী ‘মসজিদ-মন্দির রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে, ধর্ম নিয়ে বিভেদ নয়’: প্রতিমন্ত্রী সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৭ দিন বন্ধ থাকবে অনলাইন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাটোরের বড়াইগ্রাম মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪ সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে নতুন দেশ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর দেড় শতাব্দীর ঐতিহ্য নিয়ে ২২ বছরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সিংড়া স্মার্ট প্রেসক্লাবকে ৫০টি বই উপহার দিল স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় পরাজিতদের হামলায় রক্তাক্ত বাবা, বিচারের অপেক্ষায় জবি শিক্ষার্থী

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬১ মোট ভিউ
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":[],"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

রাজধানীর বংশালে ‘হেলা সমাজ যুব সংঘ’-এর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের অতর্কিত হামলায় বিজয়ী প্যানেলের এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। ভুক্তভোগী ওই নেতার নাম সুদামা দাস (৪১)। বাবার ওপর এমন বর্বরোচিত হামলার পর এখন সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন তার ছেলে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী সাহিল দাস।

 

গত ২৮ মার্চ (শনিবার) রাতে বংশালের আগাসাদেক রোডের মিরন জিল্লা সিটি কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, গত ২৭ মার্চ মিরন জিল্লা সিটি কলোনি এলাকায় প্রায় ২৯২ জন ভোটারের অংশগ্রহণে ‘হেলা সমাজ যুব সংঘ’-এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাবেক তিনবারের সভাপতি সুদামা দাসের সমর্থিত ‘মাছ’ মার্কা প্যানেল বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। সুদামা দাস এই প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন। কিন্তু তাদের এই বিজয় মেনে নিতে পারেনি পরাজিত ‘চেয়ার’ মার্কা প্যানেলের লোকজন। পরাজয়ের ক্ষোভ থেকে ২৮ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ‘চেয়ার’ মার্কার সমর্থকরা জয়ী প্যানেলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জীবনের বাসায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে পানির লাইন ভেঙে দেয়।

 

থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওইদিন রাত ৯টার দিকে সুদামা দাস কলোনির ভেতরে রাস্তায় একা বের হলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা দা, লোহার রড ও ছুরি নিয়ে তার ওপর চড়াও হয়।

 

জবি শিক্ষার্থী সাহিল দাস জানান, “আমার বাবা বাড়ির নিচে নামলে তাকে একা পেয়ে প্রায় ১২-১৪ জন মিলে অতর্কিত হামলা করে।”

 

হামলার একপর্যায়ে সুরুজ (৩০) নামের এক যুবক হত্যার উদ্দেশ্যে সুদামা দাসের পেটে ছুরি চালানোর চেষ্টা করে। হাত দিয়ে আঘাতটি ঠেকাতে গেলে তার ডান হাত মারাত্মকভাবে কেটে রক্তাক্ত হয়। এরপর ঘনশ্যাম, সোহাগ, শান্ত, রাম দাস, হৃদয় ও বিপ্লবসহ অন্যরা তাকে রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে সারা শরীরে জখম করে। এসময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে কৃষ্ণা দাশ (৬০) নামের এক বৃদ্ধও হামলার শিকার হন। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে সুদামা দাসের হাতে সেলাই দিতে হয়।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুদামা দাস বাদী হয়ে বংশাল থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

বাবার রক্তাক্ত অবস্থা দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাহিল দাস। তিনি এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। থানায় দেওয়া অভিযোগে সুদামা দাস উল্লেখ করেন, হামলাকারীরা আইনি আশ্রয় নিলে তাদের সপরিবারে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির পর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।

 

বিচারের বিষয়ে সাহিল দাস জানান, “আমাদের এলাকার ৩৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রহমানসহ পঞ্চায়েত কমিটি জানিয়েছে, তারা সুষ্ঠুভাবে একটি বিচার-সালিস করে দেবেন। যদি সেই বিচার আমাদের পছন্দ না হয় বা আমরা সন্তুষ্ট না হই, তাহলে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারব।”

 

এ বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হলেন এ কে এম মাহফুজুল হক আশ্বস্ত করেছেন, যদি পঞ্চায়েতের বিচারে আমরা সঠিক বিচার না পাই, তবে তারা কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital