ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভ, লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির অভিবাসন নীতিকে দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন অব্যাহত থাকলে দেশটির সামাজিক পরিস্থিতি চরম ঝুঁকিতে পড়বে উল্লেখ করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁকে সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষকে অবাধে প্রবেশ করতে দেওয়া একটি বড় ভুল ছিল। তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্টকে আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন বলে দাবি করেন।
এদিকে বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর সেন্ট্রাল প্যারিসসহ ফ্রান্সের বেশ কিছু বড় শহরে রাতে কারফিউ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। সেন্ট্রাল প্যারিসের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত যাতায়াত এবং অননুমোদিত জনসমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ পরবর্তীতে শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে ব্যাপক আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মার্সেই, বোর্দো, নিস ও লিঅঁসহ প্রধান শহরগুলোতে আংশিক কারফিউ বলবৎ করা হয়েছে।