বৈঠকের পর সাংবাদিকরা জানতে চান, ভারতের সঙ্গে কবে নাগাদ সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে? প্রধানমন্ত্রীকে তারা দুই দফা দাওয়াত দিয়েছেন, এক দফা বিমসটেকে, আরেক দফা দ্বিপক্ষীয়।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, আমি গণক নই; সুতরাং বলতে পারব না কবে নাগাদ সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। দুই নম্বর বিষয় হলো, প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে চেয়ারপারসন অব বিমসটেককে। এই পার্থক্যটা আপনাদের বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এর আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যা সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সাংবাদিকরা আবার প্রশ্ন করেন, আজ ভারত সফরের বিষয়ে আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়েছে? জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, না, ‘আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নিইনি।’
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ভারতকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ ছাড়া ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ করানোর ব্যাপারে ভারতকে বলা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এ বিষয়ে ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল, সেগুলো দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন সেই পরিবেশ সৃষ্টির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গঙ্গাচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, ‘হাইকমিশনারের সঙ্গে হওয়া বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। একজন হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকে সাধারণত চুক্তি বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় না।’