বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই জাদুঘরে হেফজত নেতাকর্মীদের অবয়বে ভাস্কর্য স্থাপন শরিয়তের বিধানের চরম লঙ্ঘন এবং আলেমদের আত্মত্যাগের সঙ্গে এক ধরনের বৈপরীত্য ও উপহাস। ইসলামের স্পষ্ট বিধানে যেকোনো মানুষের ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ। ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পরিচয় যত বড়ই হোক, শরিয়তের বিধান তোয়াক্কা না করে মনগড়া কিছু করার সুযোগ নেই।
হেফাজতের শীর্ষ নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যে আলেম সমাজ অতীতে ভাস্কর্য ও মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন ও নির্যাতন ভোগ করেছেন, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে তাদেরই অবয়বে ভাস্কর্য বানিয়ে অপমান করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে ভাস্কর্য সংস্কৃতি বন্ধে সরকারের কাছে দুটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়—
১. জাদুঘরে আন্দোলনের লিখিত ইতিহাস, প্রামাণ্য দলিল ও বিপ্লবী নথি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা।
২. ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনা, ২০২১ সালের আন্দোলন এবং ২০২৪-এর অভ্যুত্থানের সত্য ইতিহাস জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা।
হেফাজত নেতারা অনতিবিলম্বে এসব ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানান এবং হুঁশিয়ারি দেন যে গড়িমসি করা হলে আলেম সমাজ নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না।