বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
জবি ছাত্রশক্তির আংশিক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে শাহিন ও ফেরদৌস সাভারে মিনি কোল্ডস্টোরেজ পরিদর্শনে মার্কিন প্রতিনিধিদল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে একক বক্তৃতা ও সেমিনার ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে সিংড়ায় ছাত্রদলের দোয়া, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ জুলাই রাজপথের সেই দিনগুলো: জবি ছাত্রদলনেতা পরাগের জুলাই স্মৃতি শীতলক্ষ্যায় গোসলে নেমে ডুবে প্রাণ গেল পোশাক শ্রমিকের চিকিৎসাসেবা চালুর দিন-তারিখ জানাল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণের আভাস বাউবি’র ট্রেজারার হলেন জবি অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য ড. নূর মহল আখতার বানু

পঞ্চগড়ে ঈদুল আযহা ঘিরে কামার পাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৫৭ মোট ভিউ

 

 

 

 

পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাররা। পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

স্থানীয়রা জানান, অর্ধশত বছর ধরে পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় চলে আসছে এ কর্মযজ্ঞ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ ঘিরে বাড়ে কাজের চাপ। এবারও ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন কামাররা।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লেও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তারপরও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

 

পঞ্চগড় বাজারের কামার মজিবর বলেন, “সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি।”

প্রায় ৫০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত মজিবর রহমান বলেন, “এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না। কিন্তু এখনকার ছেলেরা এসব কষ্টের কাজ করতে চায় না। তাই ভবিষ্যতে এ শিল্প টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

 

কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আনিছুর রহমান মানিক বলেন, “বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।”

 

স্থানীয়দের মতে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে গেলেও এখনো টিকে আছে কামার শিল্প। তবে নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital