এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে হল প্রশাসন শিক্ষার্থীকে নিজেদের জিম্মায় নেয়। পরে বিষয়টি প্রক্টর অফিসকে জানানো হলে শাহবাগ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাদেরকে অনুরোধ করে পরে বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীকে বিভাগের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘থানা থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানার পর আমরা শুধু আমাদের শিক্ষার্থীকে প্রক্টর স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক বিভাগের জিম্মায় দিয়ে আসি।
এদিকে, অভিযুক্ত বহিরাগত ব্যক্তি শাহবাগ থানায় দেওয়া মুচলেকায় উল্লেখ করেন, কাউকে না জানিয়ে হলের রুমে প্রবেশ করায় তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আগের মুচলেকাটি তিনি ভয় পেয়ে লিখেছিলেন বলেও দাবি করেন। পরে তাকে মানবাধিকার সংগঠন ‘ব্যঞ্জনা ফাউন্ডেশন’-এর কর্মী মুনতাসির রহমানের জিম্মায় থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।