বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
মহেশপুরে জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে বিপদে পড়তে হবে’: জামায়াত নেতা শিগগিরই প্যারিস মুসলিম শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প ‘পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার ও ভ্রান্তি ছড়ানো চক্র এক হয়েছে’: প্রধানমন্ত্রী ‘মসজিদ-মন্দির রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে, ধর্ম নিয়ে বিভেদ নয়’: প্রতিমন্ত্রী সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৭ দিন বন্ধ থাকবে অনলাইন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাটোরের বড়াইগ্রাম মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪ সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে নতুন দেশ গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর দেড় শতাব্দীর ঐতিহ্য নিয়ে ২২ বছরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সিংড়া স্মার্ট প্রেসক্লাবকে ৫০টি বই উপহার দিল স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

জকসু পাঠাগার সম্পাদকের উদ্যোগে তিন বিষয়ে জবি উপাচার্যের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১০৪ মোট ভিউ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদকের উত্থাপিত দাবিতে সাড়া দিয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি পরিদর্শনে গিয়ে উপাচার্য লাইব্রেরির সার্বিক পরিবেশ, আসনসংকট এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

পরিদর্শনকালে জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মো. রিয়াসাল রাকিব শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের তিনটি দাবি উপাচার্যের সামনে তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল লাইব্রেরির সময়সীমা বৃদ্ধি, আসনসংখ্যা বাড়ানো এবং ব্যাগ সংরক্ষণের সুবিধা নিশ্চিত করা।

 

দাবির প্রেক্ষিতে উপাচার্য কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আসন সংকট নিরসনে ২০০টি নতুন আসন বৃদ্ধি করার জন্য পরদিন থেকেই কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার সুবিধার্থে দুটি ব্যাগ সেলফ নির্মাণের নির্দেশও প্রদান করা হয়।

 

জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মো. রিয়াসাল রাকিব বলেন, “আমার ইশতেহার পূরণে আমি লাইব্রেরির সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। যারই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো উপাচার্য স্যার তাৎক্ষণিকভাবে মেনে নিয়েছেন। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।”

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত বাস্তবায়ন হলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital