বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
জবি ছাত্রশক্তির আংশিক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে শাহিন ও ফেরদৌস সাভারে মিনি কোল্ডস্টোরেজ পরিদর্শনে মার্কিন প্রতিনিধিদল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে একক বক্তৃতা ও সেমিনার ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে সিংড়ায় ছাত্রদলের দোয়া, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ জুলাই রাজপথের সেই দিনগুলো: জবি ছাত্রদলনেতা পরাগের জুলাই স্মৃতি শীতলক্ষ্যায় গোসলে নেমে ডুবে প্রাণ গেল পোশাক শ্রমিকের চিকিৎসাসেবা চালুর দিন-তারিখ জানাল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণের আভাস বাউবি’র ট্রেজারার হলেন জবি অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য ড. নূর মহল আখতার বানু

টিসিবির পণ্য না পেয়ে আর্তনাদ করা সেই বৃদ্ধার ঘরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

সংবাদ শিরোনাম ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৭ মোট ভিউ

টিসিবির লাইনে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও পণ্য না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়া নাটোরের সেই ৮২ বছর বয়সী বৃদ্ধা সুকমন বেওয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁর কাছে মাসব্যাপী খাদ্যসামগ্রী ও ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

 

শনিবার নাটোর সদর উপজেলার হাপানিয়া গ্রামে ওই বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়ে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

 

সম্প্রতি টিসিবির পণ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরতে হয় সুকমন বেওয়াকে। বার্ধক্যের ভার আর প্রাপ্তির নিরাশায় তাঁর কান্নার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি অবিলম্বে ওই বৃদ্ধাকে সহায়তার নির্দেশ দেন।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী শনিবার সুকমন বেওয়ার বাড়িতে উপস্থিত হন। উপহার হিসেবে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এক মাসের চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও বিশেষ ঈদ উপহার।

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত এই সহায়তা পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন সুকমন বেওয়া।

 

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা এই সামান্য উপহার পৌঁছে দিয়েছি। সাধারণ মানুষের প্রতিটি দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।”

 

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ কেবল একজন মানুষের কান্না থামায়নি, বরং সাধারণ মানুষের প্রতি নেতৃত্বের সংবেদনশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital