বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আফগানদের কাছে বড় হারে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল টাইগাররা সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন, দুর্নীতিবাজরা হন নেতা’: স্পিকার ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে জামায়াতের লংমার্চ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মোংলা ও খুলনায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি: সৌদি আরবের দুই রুটে ফিরছে বিমানের ফ্লাইট শার্শায় ৪ কোটি টাকার ১৮টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১, মোটরসাইকেল জব্দ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন মহেশপুরে জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে বিপদে পড়তে হবে’: জামায়াত নেতা শিগগিরই প্যারিস মুসলিম শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প

২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বিগত সরকারের আমলে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৪ মোট ভিউ
বিগত ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের আমলে (২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল) বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর পাচার হওয়া এসব অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে এ পর্যন্ত সর্বমোট প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ (ফ্রিজিং) করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। 

সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্য মতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার; যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকা)। পাচার করা এ অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থপাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ–যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং-চীনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর মধ্যে তিনটি দেশ– মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ সইয়ের বিষয়ে সম্মতি মিলেছে। অপর সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। 

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্ত সংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

এই টাস্কফোর্সের চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া চলমান। মামলাগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে এবং পুলিশের সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল ও শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়।’

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital