বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আফগানদের কাছে বড় হারে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেল টাইগাররা সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন, দুর্নীতিবাজরা হন নেতা’: স্পিকার ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখে জামায়াতের লংমার্চ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মোংলা ও খুলনায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি: সৌদি আরবের দুই রুটে ফিরছে বিমানের ফ্লাইট শার্শায় ৪ কোটি টাকার ১৮টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১, মোটরসাইকেল জব্দ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন মহেশপুরে জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে বিপদে পড়তে হবে’: জামায়াত নেতা শিগগিরই প্যারিস মুসলিম শহরে পরিণত হবে: ট্রাম্প

পঞ্চগড়ে ঈদুল আযহা ঘিরে কামার পাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ১২৭ মোট ভিউ

 

 

 

 

পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাররা। পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

স্থানীয়রা জানান, অর্ধশত বছর ধরে পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় চলে আসছে এ কর্মযজ্ঞ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ ঘিরে বাড়ে কাজের চাপ। এবারও ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন কামাররা।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লেও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তারপরও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

 

পঞ্চগড় বাজারের কামার মজিবর বলেন, “সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি।”

প্রায় ৫০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত মজিবর রহমান বলেন, “এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না। কিন্তু এখনকার ছেলেরা এসব কষ্টের কাজ করতে চায় না। তাই ভবিষ্যতে এ শিল্প টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

 

কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আনিছুর রহমান মানিক বলেন, “বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।”

 

স্থানীয়দের মতে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে গেলেও এখনো টিকে আছে কামার শিল্প। তবে নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital